ছয়টি দেশে ড. মোঃ মাসুম বিল্লাহর গবেষণা পরিক্রমা (২০০৬-২০২৬)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ (IMSF) থেকে যাত্রা শুরু করে মালয়েশিয়ার বোর্নিও, জাপানের কাগোশিমা ও ওসাকা উপসাগর, ইতালির বোলোনিয়া ও ভেনিস লেগুন, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা এবং তুরস্কের আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয় ও মিডল ইস্ট টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি (METU) পর্যন্ত বিস্তৃত ২০ বছরের বর্ণাঢ্য বৈজ্ঞানিক জীবন।
সকল আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে গবেষণাকালে তিনি তাঁর স্থায়ী ইমেইল (masum_imsf07@yahoo.com, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের IMSF-এর ৭ম ব্যাচ থেকে প্রবর্তিত), ORCID (0000-0002-4287-0894) এবং Scopus ID (58847962800) ব্যবহার করে আসছেন।
- সহকারী অধ্যাপক (Dr. Öğr. Üyesi): অ্যাকোয়াকালচার বিভাগ, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ, আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়, এরজুরুম ২৫২৪০
- পোস্টডক্টরাল গবেষক: ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস (IMS, মেরসিন) ও EKOSAM (আঙ্কারা), METU / ODTÜ
ছয়টি দেশে শিক্ষা ও গবেষণার ধারাবাহিক অধ্যায়সমূহ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (IMSF) ও উপকূলীয় মোহনা গবেষণা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ (IMSF) থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা গ্রহণ করেন (ব্যাচ imsf07; BARC ARMIS তালিকাভুক্ত গবেষক ২০০৬-২০০৭)। কক্সবাজারের রেজু খাল মোহনা (৩৬ প্রজাতির ৬,৭০৬টি মাছ), বাঁকখালী মোহনা এবং চট্টগ্রামের সলিমপুর উপকূলে লবণাক্ত জলাভূমি (Porteresia coarctata) ও সি-গ্রাস (Halophila beccarii) প্রতিবেশের ৫,৩৫৬টি বেন্থিক প্রাণীর ওপর মৌলিক গবেষণা পরিচালনা করেন। এছাড়া পদ্মা ও গঙ্গা নদীর দেশীয় মাছ (Puntius sophore, Amblypharyngodon mola), ঢাকার গুলশান ও ধানমন্ডি লেক, কর্ণফুলী মোহনার ভারী ধাতু (২০২৫) এবং সুন্দরবনের মাইক্রোপ্লাস্টিক (২০২৫) নিয়ে গবেষণা করেছেন।
ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (UPMKB সারাওয়াক) ও UMT
মালয়েশিয়ার বোর্নিও অঞ্চলের ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া বিনতুলু সারাওয়াক ক্যাম্পাস (UPMKB) থেকে স্নাতকোত্তর (M.Sc., ২০১৩-২০১৫) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং এশিয়া-প্যাসিফিক নেটওয়ার্ক ফর গ্লোবাল চেঞ্জ রিসার্চ (APN Project ARCP2012-19NSY-KAMAL)-এর ইয়াং সায়েন্টিস্ট হিসেবে কাজ করেন। সারাওয়াকের মিরি মোহনায় জল, মাটি, ঝিনুক ও শৈবালে ভারী ধাতু (Cu, Zn, Fe, Mn) এবং মালয়েশিয়ার ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ব্লু কার্বন মজুদ (Hydrobiologia, ২০২৪; Estuaries and Coasts, ২০২৬) নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করেছেন।
কাগোশিমা বিশ্ববিদ্যালয় (UGSAS) ও ওসাকা উপসাগর
জাপানের কাগোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনাইটেড গ্র্যাজুয়েট স্কুল অব এগ্রিকালচারাল সায়েন্সেস (UGSAS) ও মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন (k4302867@kadai.jp)। প্রফেসর সেইচি উনো ও ড. এমিকো কোকুশির তত্ত্বাবধানে ওসাকা উপসাগরের ২৫টি স্টেশনে তলানি মাটিতে ভারী ধাতুর (Cd, Cu, Pb, Zn) রাসায়নিক স্পেসিয়েশন (WASP, ২০১৯) এবং প্রফেসর শুনসুকে কোশিও ও ড. মাহমুদ দাউদের সাথে রেড সি ব্রিম (Pagrus major) মাছের ইমিউনো-নিউট্রিশন (Aquaculture, ২০১৭, ১৪৫+ সাইটেশন) নিয়ে গবেষণা করেন।
বোলোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (CIRSA রাভেনা) ও ভেনিস লেগুন
ইতালির বোলোনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Alma Mater Studiorum - University of Bologna) CIRSA রাভেনা ক্যাম্পাসে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (mdmasum.billah2@unibo.it)। প্রফেসর লরা আইরোল্ডি ও ড. দাভিদে দে বাত্তিস্তির সাথে ভেনিস লেগুনের লবণাক্ত জলাভূমি পুনরুদ্ধার এবং অণুজীবীয় কার্বন চক্র নিয়ে গবেষণা করেন (ESPR ২০২২ [১৩২+ সাইটেশন]; J. Environ. Manage. ২০২৫; Microbial Ecology ২০২৬)।
METU (IMS মেরসিন ও EKOSAM আঙ্কারা) ও আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়
২০২২ সাল থেকে তুরস্কের মিডল ইস্ট টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির (METU) ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস (IMS, মেরসিন) ও EKOSAM (আঙ্কারা)-এ পোস্টডক্টরাল গবেষক এবং আতাতুর্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের (এরজুরুম) অ্যাকোয়াকালচার বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তুরস্কের ১৫টি উপকূলীয় জলাভূমির প্রথম ব্লু কার্বন ইনভেন্টরি (Estuaries and Coasts, ২০২৬), উষ্ণায়ন মেসোকসম পরীক্ষা (Aquatic Botany, ২০২৫) এবং রেইনবো ট্রাউট মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক গবেষণা (Aquaculture International, ২০২৬) পরিচালনা করেছেন।
উইসকনসিন-মিলওয়াকি, বেইলর ও ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-মিলওয়াকির প্রফেসর লাওডং গুও এবং বেইলর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সাথে জলজ মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ ও সুন্দরবন গবেষণা (STOTEN, ২০২৩ [১৪৮+ সাইটেশন]; ESPR, ২০২৫) এবং ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (FIU, মায়ামি) বিজ্ঞানীদের সাথে ফ্লোরিডা এভারগ্লেডসের মার্শ-ম্যানগ্রোভ রূপান্তর অঞ্চলে কার্বন ফ্লাক্স নিয়ে গবেষণা প্রকাশ করেছেন (Frontiers in Ecology and Evolution, ২০২৬)।